স্টাফ রিপোর্টার:: মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কুকুরসহ রেবিট প্রাণীর (কুকুর, বিড়াল, শিয়াল, বেজি, বানর, বাদুড়) কামড়ের ভ্যাকসিনের সরকারি মজুদ ফুরিয়ে গেছে।  বুধবার (৭ জানুয়ারি) থেকে এ ভ্যাকসিনের সরবরাহ নেই বলে নিশ্চিত করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. সাইদুর রহমান।  তিনি আরও জানান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরেও এই মুহূর্তে ভ্যাকসিনের মজুদ নেই। মধুপুর উপজেলার কিছু বড় বড় ফার্মেসিতে সীমিত কিছু ভ্যাকসিন মজুদ আছে। যা চাহিদার চেয়ে অপ্রতুল। জাতীয়ভাবে এই ভ্যাকসিনের তীব্র সংকট চলছে ।
পরবর্তীতে সরকারি সরবরাহ প্রাপ্ত হলে সাথে সাথে বিষয়টি সবাইকে জানিয়ে দেওয়া হবে বলে জানান ডাঃ সাইদুর রহমান।  মধুপুর উপজেলা একটি পাহাড়ি এলাকা।  পাহাড়ী এলাকায়  কুকুর, বিড়াল, শিয়াল, বেজি, বানর, বাদুড়ের প্রকোব বেশী।  এসব এলাকায় প্রতিনিয়ত শিয়াল, কুকুর, বানরের কামড়ে আক্রান্ত হয় শিশু থেকে সকল বয়সী নারী পুরুষ। প্রতিদিন ৩০ থেকে ৪০ জন রোগী আসে ভ্যাকসিনের জন্য।  কিন্ত গতকাল থেকে ভ্যাকসিন সংগ্রহে না থাকায় হিমসিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসকদের।  উপজেলা স্বাস্হ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মো. সাইদুর রহমান জানান, দেশের কয়েকটি ঔষধ কোম্পানী ভ্যাকসিন তৈরী করে আসলেও বর্তমানে ভ্যাকসিন তৈরীর মালামাল সরবরাহ  না থাকায় তারা ভ্যাকসিন তৈরী বন্ধ রেখেছে।  তার মধ্যে একটি কোম্পানী সীমিত আকারে ভ্যাকসিন তৈরী করলেও সংকট রয়েছে ভ্যাকসিনের। তিনি আরও জানান, কুকুরের কামড়ের প্রতিটি ভ্যাকসিন রোগীদের ক্রয় করতে হচ্ছে সাড়ে চার শত টাকা হতে সাড়ে ছয়শত টাকা। দেশে ভ্যাকসিন সংকটময় মুহূর্তে রোগীদের কথা বিবেচনা করে ভ্যাকসিন  তৈরী ও সরবরাহের  ব্যাপারে ডাঃ মোঃ সাইদুর রহমান উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।