দুই প্রতিবন্ধী সন্তান নিয়ে অন্তহীন জীবন সংগ্রামে রাশিদা বেগম
জুয়েল রানা, মধুপুর:: টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার ৯নং অরণখলা ইউনিয়নের গাছাবাড়ি এলাকার ৪নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা রাশিদা বেগম দুই প্রতিবন্ধী সন্তানকে নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তার ছোট ছেলে মুছতাইন (৮) এবং বড় ছেলে রাসেল আহমেদ (৩০) উভয়েই প্রতিবন্ধী। তাদের বাবা বয়স্ক অসুস্থ নিয়মিত কোনো কাজ করতে পারেন না এবং মাঝে মাঝে বাড়ির বাইরে থাকেন।পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি না থাকায় চরম দারিদ্র্যের মধ্যে দিন কাটছে তাদের। নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও রাশিদা বেগম অদম্য সাহস ও ধৈর্য নিয়ে সংসারের হাল ধরে রেখেছেন।অভিযোগ রয়েছে, এখন পর্যন্ত তার দুই প্রতিবন্ধী সন্তানের জন্য কোনো সরকারি ভাতা প্রদান করা হয়নি। এমনকি স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের পক্ষ থেকেও কোনো খোঁজখবর নেওয়া হয়নি বলে জানান রাশিদা বেগম।অভাব-অনটন আর প্রতিদিনের সংগ্রামই তার নিত্যসঙ্গী। তবুও সন্তানদের মুখে হাসি ফোটাতে নিরলস চেষ্টা করে যাচ্ছেন এই সংগ্রামী মা।স্থানীয়দের মতে, রাশিদা বেগমের মতো অসহায় পরিবারগুলোর প্রতি সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত সহানুভূতি ও সহায়তা প্রয়োজন।
দুই প্রতিবন্ধী সন্তান নিয়ে অন্তহীন জীবন সংগ্রামে রাশিদা বেগম
জুয়েল রানা, মধুপুর:: টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার ৯নং অরণখলা ইউনিয়নের গাছাবাড়ি এলাকার ৪নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা রাশিদা বেগম দুই প্রতিবন্ধী সন্তানকে নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তার ছোট ছেলে মুছতাইন (৮) এবং বড় ছেলে রাসেল আহমেদ (৩০) উভয়েই প্রতিবন্ধী। তাদের বাবা বয়স্ক অসুস্থ নিয়মিত কোনো কাজ করতে পারেন না এবং মাঝে মাঝে বাড়ির বাইরে থাকেন।পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি না থাকায় চরম দারিদ্র্যের মধ্যে দিন কাটছে তাদের। নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও রাশিদা বেগম অদম্য সাহস ও ধৈর্য নিয়ে সংসারের হাল ধরে রেখেছেন।অভিযোগ রয়েছে, এখন পর্যন্ত তার দুই প্রতিবন্ধী সন্তানের জন্য কোনো সরকারি ভাতা প্রদান করা হয়নি। এমনকি স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের পক্ষ থেকেও কোনো খোঁজখবর নেওয়া হয়নি বলে জানান রাশিদা বেগম।অভাব-অনটন আর প্রতিদিনের সংগ্রামই তার নিত্যসঙ্গী। তবুও সন্তানদের মুখে হাসি ফোটাতে নিরলস চেষ্টা করে যাচ্ছেন এই সংগ্রামী মা।স্থানীয়দের মতে, রাশিদা বেগমের মতো অসহায় পরিবারগুলোর প্রতি সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত সহানুভূতি ও সহায়তা প্রয়োজন।